মা না থাকার কষ্ট - মা ছাড়া জীবন

মা না থাকার কষ্ট – মা ছাড়া জীবন

মা না থাকার কষ্ট

 

মার মা এই ধরনির সবচেয়ে সুন্দর একজন মানুষ। প্রতিটা মা একেকটা ফুল। মায়েদের জন্য আলাদা কোন দিন নেই,মায়েদের জন্য প্রতিটি দিন প্রতিটি মুহুর্ত ভালোবাসার। যারা মা হারিয়েছে তারায় জানে মায়ের মতো কেউ নেই। মা নেই মানে এই দুনিয়া অন্ধকার তার জন্যে। যে কোন মানুষের জীবনে মায়ের ভুমিকা অপরিসীম। এই মা শব্দটার মাঝে এক অদ্ভুত পরিতৃপ্তি, অদ্ভুত এক শান্তি। মা ছাড়া সন্তানের জীবন ধু ধু মরুভূমির মতো হয়ে যায়।দুনিয়াতে একমাত্র মায়ের মমতা মায়ের স্নেহতেই থাকে নিঃশ্বার্থ ভালোবাসা আবেগ। স্বার্থ ছাড়া একমাত্র মা পাশে থাকে সবসময়। চারপাশে সব বদলে গেলেও মা আর তার ভালোবাসা একই রয়ে যায়। দুনিয়ার সব চাপ সব চিন্তা নিয়ে মায়ের কাছে এসে মায়ের কোলে মাথা রাখতেই নিমিষেই মিলিয়ে যায় সব।আর সেই মা যখন থাকেনা আমাদের সব গুলিয়ে যায় হারিয়ে যায় এর সাথে।

মায়ের আদর মায়ের ছায়া যে সন্তানের মাথায় নেই তার জীবন কতটা কষ্টের সে ভালো জানে। মায়ের জায়গা কেউ পুরুন করতে পারেনা। আমার মা এ ঘর সংসার কিভাবে আঘলে রেখেছিল আমি দেখেছি। কতো বিসর্জন দিয়েছে সন্তানদের সুখের কথা ভেবে। ছেলে মেয়েদের সব ইচ্ছে পূরণ করে নিজের সব চাওয়া পাওয়া মাটি করে। আমি কখনো দেখিনি আমার মা কে তার জন্য তার পছন্দের কিছু কিনে আনতে,পছন্দের কিছু বানাতে খেতে।মায়েরা যতদিন বেঁচে থাকে তাদের প্রতিটা নিঃশ্বাস এর মুল্য তুলনাহীন। মায়ের তুলনা শুধু একজন মা হতে পারে। মা তার সন্তানের চোখে তাকিয়ে তার দুঃখের অবসান করে দিতে পারে। এই মা শব্দের বিসালতা সীমাহীন। এর যত্ন করা সন্তানদের দায়িত্ব কর্তব্য। প্রতিটা সন্তানের মানুষিকতা হওয়া উচিত উদার মানবিক, যেন তারা তাদের মায়ের মর্যাদা অক্ষত রাখতে পারে,এমন সহানুভূতি হোক সবার। মায়েদের চলে যাওয়াটা মেনে নেয়া যায়না। এ কষ্টের স্মৃতি ভিষণ ভাবে ভাবায়,চারদিক অন্ধকারে ছেয়ে যায়। আমার মা কে দেখেছি তার মায়ের জন্য পাগলের মতো কাদতে তার শোকে কাতর হতে দিনের পর দিন।কতো কথা কতো আফসোস কতো না করা না বলা যন্ত্রণা তার মায়ের জন্য। আমার মায়ের দিকে তাকিয়ে বুঝতে পারি মা হারানো কতটা যন্ত্রণার।

আরো পড়ুনঃ  Ailing Education System

যাদের মা নেই তাদের ধৈর্য ধারনের ক্ষমতা দিক।যাদের মায়েরা বেছে আছে তাদের অনেক অনেক ভালোবাসার তৌফিক দিক।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *