বর্ষার কবিতা ; বৃষ্টির গান

বর্ষার কবিতা: বৃষ্টি, মেঘ ও প্রকৃতি নিয়ে মন ছুঁয়ে যাওয়া কবিতা

বর্ষার কবিতা

 

 

বর্ষার কবিতা; বৃষ্টি যখন তখন
শক্তিশঙ্কর পানিগ্ৰাহী

 

টাপুর টুপুর বৃষ্টি গাঙে ভিজছে মনের জমি,
সবুজ পাতায় তাতা থৈ থৈ
মেঘের ভেলায় আমি।

ভিজছে শরীর হৃদয় বাথান বিদ‍্যুতের ঝলক,
ঝমঝমাঝম সুরের দোলা
কেয়া ফুলের নোলক।

ক্ষেতের জমি সরস ভূমি বৃষ্টি ছড়ায় সুখ,
চাষীর মুখে রামধনু রঙ
ভোরের মিঠেল মুখ।

বৃষ্টি নাচে পাতায় পাতায় ডাকছে সবুজ মাঠ,
শিরায় শিরায় উথাল পাথাল
প্লাবিত পথ ঘাট।

বৃষ্টি ভাঙুক পাহাড় নদী মেঘ জমে যাক চোখে,
হৃদয়ে প্রেম মাখুক কাদা
বরষায় ছবি আঁকে।

 

 

বর্ষার কবিতা; মেঘের পরে বৃষ্টি এলে
প্রদীপ্ত সামন্ত

 

মেঘ গুড় গুড়, মেঘ গুড় গুড়
কড়াৎ কড়াৎ বাজ —
বৃষ্টি পড়ার আনন্দে তাই
বাড়ল খুকুর কাজ ।

সংসারের’ই ভরণ পোষণ
খুকুর আমার হাতে;
কি ভয়ানক চাপ রয়েছে
আমার খুকুর মাথে ।

হটাৎ বৃষ্টি এল ঝেপে
মাঝে দমকা হাওয়া ,
পুতুল ফেলে বৃষ্টি মাঝে
খুকুর চলে যাওয়া ।

আম-বউলের মাঝে তখন
কুশি কুশি আম ,
জাম গাছেতে ধরেনি তখনও
একটি দুটি জাম ।

কুড়ায় খুকু মনের সুখে
আমের পরে আম ,
বাড়ির দাওয়ায় মা যে চেঁচায়
–এবার খুকু থাম ।

 

 

 

বর্ষার কবিতা ; বৃষ্টি এলে
অরুণ কুমার দাঁ

 

বৃষ্টি পড়ে গাছের পাতায়
টুপ্ টুপা টুপ্ ঝরে,
বৃষ্টি পড়ে টিনের চালে
ঝম ঝমা ঝম স্বরে ।

বৃষ্টি এলে নদীর জলে
ঢেউয়ের দেখা মেলে,
বৃষ্টি হলে মেঘের কোলে
মেঘ কালোরা খেলে ।

বৃষ্টি এলে শিলের ঝড়ে
আমের খোসা ছাড়ে,
বৃষ্টি এলে উঠোন জুড়ে
কাক যে ডানা ঝাড়ে ।

বৃষ্টি দিনে মাঠের ধানে
চাষীর খুশি ধরে,
বৃষ্টি দিনে জেলের জালে
মাছ আসে যে ঘরে ।

বৃষ্টি দেখা একা একা
জানলা ধারে দাঁড়াই,
বৃষ্টি ফোঁটা ধরবো বলে
হাত দুখানা বাড়াই ।

 

 

 

বর্ষার কবিতা ; বৃষ্টি পড়ে
রাসু বড়ুয়া

 

টেংরা নাচে পুঁটি নাচে
নাচে কোলাব্যাঙ
বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর
ডাকে ঘ্যাঙর ঘ্যাঙ।

নদী ভরে নালা ভরে
ভরে পুকুর ডোবা
বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর
দারুণ মনোলোভা।

মাঠ ডুবে যায় ঘাট ডুবে যায়
ডোবে কত বাড়ি
বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর
মেঘের সাথে আড়ি।

কূল ভেঙে যায় পাড় ভেঙে যায়
ভাঙে নদীর বাঁধ
বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর
ভাঙা ঘরের ছাদ।

 

 

বর্ষার কবিতা ; বৃষ্টি এলো
খাইরুল আনাম

 

মেঘ জমেছে মেঘের আড়ে
ঢাকলো জগৎ অন্ধকারে
বৃষ্টি এলো ঝেপে,
আজকে অনেক দিনের বাদে
কড়্ কড়্ কড়্ বজ্রনাদে
বুকটা ওঠে কেঁপে।

ঘন কালো মেঘের ঘটায়
বিজলিশিখার প্রবল ছটায়
পিয়ায় পেয়ে কাছে,
গুড়্ গুড়্ গুড়্ ধ্বনির চোটে
মনে পুলক-তুফান ওঠে
রোমাঞ্চে হৃদ নাচে।

আরো পড়ুনঃ  দৃশ্যমান স্রষ্টা আমার

অঝোর ধারে বৃষ্টি ঝরে
মনের মানুষ আঁকড়ে ধরে
প্রলয় থামে শেষে,
দুটি হৃদয় এক হয়ে যায়
প্রাণের দোলায় প্রাণ খুঁজে পায়
সুখসাগরে ভেসে।

 

 

বর্ষার কবিতা ; বৃষ্টি নূপুর পায়ে
দীপককুমার চৌবে

 

বৃষ্টি নূপুরপায়ে রিমঝিম আওয়াজে,
ঝরছে প্রবল বেগে ঝড় করে ধাওয়া যে।
ক্ষণে ক্ষণে বিদ্যুৎ চমকায় আকাশে
রাইফেল ঝলসায় নিশানায় পাকা সে।

আকাশের স্লেটে আঁকে কোন পাকা শিল্পী,
পাকে পাকে আঁকে যেন রসে ভরা জিলপি।
হায় হায় চালাঘর উড়ে গেল নিমেষে,
পাখির মতোই সব উড়ে যাবে কি শেষে?

ফোঁটা ফোঁটা অবিরল ঝরছে তো ঝরছে,
দিঘি আর বিল ঝিল নিমেষেই ভরছে।
ভরা পুকুরের জলে পাতিহাঁস চরছে,
উচ্ছল ভরা নদী তীর থেকে সরছে।

এ সুযোগে মাছরাঙা চক্কর কাটছে,
বৃষ্টির বেগে শেষে বড়বাঁধ ফাটছে।
গৃহহীণ মানুষের অশেষ ভোগান্তি,
বসে বসে ভেজে, মনে বাড়ে তো অশান্তি।

কেউ এসে নিয়ে যায় ইস্কুল বাড়িতে,
খিঁচুড়ি বসায় কেউ বড় বড় হাঁড়িতে।
এ ভাবেই দিন রাত চিন্তায় কাটছে
চোখে জল দুঃখেই বুকখানা ফাটছে।

 

 

বর্ষার কবিতা ; বৃষ্টি পড়ে ঝম্ ঝমিয়ে
হরেকৃষ্ণ দে

 

বৃষ্টি পড়ে ঝম্ ঝমিয়ে
সারা রাত্তি ধরে৷
ব্যাঙগুলো সব ডাকে
ঘ্যাঙর ঘ্যাঙর করে৷

বৃষ্টি পড়ে ঝম্ ঝমিয়ে
সারা উঠোনজুড়ে৷
ছোট্টো সোনা ছবি আঁকে
মনের আকাশ ভরে৷

বৃষ্টি পড়ে ঝম্ ঝমিয়ে
ধানের ক্ষেতে ক্ষেতে৷
চাষি ভায়া নেচে ওঠে
মনের আনন্দেতে৷

বৃষ্টি পড়ে ঝম্ ঝমিয়ে
খেলার মাঠে মাঠে৷
খেলাধূলা সাঙ্গ করে
জলে কাদায় হাঁটে৷

বৃষ্টি পড়ে ঝম্ ঝমিয়ে
মনের পাতায় পাতায়৷
টাপুরটুপুর বাজছে বুকে
বাদল দিনের খাতায়৷

 

 

বৃষ্টি ; বর্ষার কবিতা

পৌলমী মান্না

আবেশ ঘন- আবেগ কাড়া বাদল বেলার বৃষ্টি,
ঠাণ্ডা হাওয়ায় প্রাণ জুড়ানো ঝাপসা কাঁচের দৃষ্টি।
মেঘের সাথে যাব হেসে, শীল কুড়োবো হাওয়ায় ভেসে
দমকা হাওয়ায় উড়িয়ে নিও- দুঃখ- জ্বরা একপশলা এসে।।
বৃষ্টি ঝড়ো রাজপ্রাসাদে, বৃষ্টি ভেজাও অট্টালিকা
থমকে যেও ফুটপাতে , আর, থমকে যেও একলা একা।
বৃষ্টি তুমি বইয়ে নাও দুঃখ ভরা অশ্রু রাশি,
তাইতো বৃষ্টি একলা হয়ে তোমায় এত্ত ভালোবাসি।।
যখন মেঘের উপর মেঘ জমে,‌আর আকাশ ঢাকে অন্ধকারে
বৃষ্টি তখন ফন্দি করে, ঝমঝমিয়ে নজর কাড়ে।
বৃষ্টি বৃষ্টি নেশা ধরে- মনটা তখন কেমন করে
ইচ্ছে করে, চেঁচিয়ে বলি ! দুঃখ গুলো বৃষ্টিটারে।।
জড়িয়ে ধরে বৃষ্টি তোমায় হলকা করি মনের ব্যাথা,
তোমার জন্য জমা থাকে বছর জোড়া কত কথা।
বৃষ্টি বেলায় মন-মানসী হাঁটবে যখন একটা ছাতায়,
বৃষ্টি ভেজা আলতো- প্রেম জমবে তাদের মনের খাতায়।।
বৃষ্টি তুমি শান্ত মনের দুরন্ত পাগলামী, উন্মাদনার ভাব,
বৃষ্টি তুমি শ্রান্ত মনের মৃত সঞ্জীবনী, এক নিবীর অনুভব।।

 

বর্ষার কবিতা ; বৃষ্টি হচ্ছে ভালো

বর্ষার কবিতা ; বৃষ্টি হচ্ছে ভালো

নীল কমল গাঙ্গুলী

আরো পড়ুনঃ  স্মৃতি কলমে রেজওয়ানা ইসলাম রিমি

আকাশ জুড়ে মেঘ করেছে
নামল বৃষ্টি ঝেঁপে,
মেঘের আওয়াজ শুনে আমার
প্রাণটা ওঠে কেঁপে।

গাছ গুলো সব শান্তি পেল
ভিজে বৃষ্টির জলে,
পাখপাখালি আশ্রয়ের খোঁজ
করতে উড়ে চলে।

ছুটছে সবাই ঘরের পানে
বাইরে ছিল যারা,
বৃষ্টিতে খুব ভিজে গিয়ে
হয়েছে সব সারা।

অনেক দিনের পরে আজকে
বৃষ্টি হচ্ছে ভালো,
গরম থেকে বাঁচল সবাই
হলো জীবন আলো।

বৃষ্টি দেখে চাষির মনে
আনন্দ খুব হোলো,
খিচুড়ি আর ইলিশ ভাজা
আজকে সবাই খেলো।

 

 

বৃষ্টির গান

সৌমেন দাস

 

বৃষ্টি আসুক রাত দুপুরে
বৃষ্টি নামুক ভোরে,
ভিজিয়ে দিয়ে যাক আমাকে
আমার মত করে।

বৃষ্টির যখন দিঘির জলে
ওই দখিনের মাঠে,
ভরে যায় এই হৃদ-সরোবর
শ্যাপলা শালুক ফোটে।

বৃষ্টির নামুক বটের মাথায়
ছোট্ট টবের গাছে,
সাম্যের গান শিখে নেয় কেউ
এই বৃষ্টির কাছে।

বৃষ্টি নামুক বুকের মাঝে
দমকা হাওয়ার বেগে,
ঘুমিয়ে থাকা ইচ্ছেগুলো
আবার উঠুক জেগে।

 

 

বৃষ্টি
রফিক ওসমান

গভীর রাতে হলো শুরু
বৃষ্টি ঝরার ধুম
রিমঝিমা ঝিম শব্দ শুনে
আসে নাতো ঘুম।

প্রভাত হলো দুপুর গেলো
নেমে এলো রাত
গুড়ুম গুড়ুম মেঘের ডাকে
রান্না হয়নি ভাত।

রিনিঝিনি বৃষ্টি নামে
টিনের ঘরের চালে
ঘ্যাঙর ঘ্যাঙর ব্যাঙরা ডাকে
ডোবা পুকুর খালে।

আষাঢ় জুড়ে বৃষ্টির মেলা
মেঘের লুটোপুটি
ঘরের কোণে বন্ধি সবাই
বন্ধ ছোটাছুটি।

 

বর্ষায় ; বর্ষার কবিতা

বিশ্বনাথ কর্মকার

গুরু গুরু গম্ভীর
ঘন ঘোর বর্ষায়
কালো মেঘ গর্জায় ।
রিমঝিম রিমঝিম
সারাদিন সারারাত
বৃষ্টির ধারাপাত ।
শিল পড়ে চড়বড়
বাজ পড়ে কড়কড়
ভয়ে বুক ধড়ফড়।

থই থই নাচে জল
পুকুর নদীর বুকে
মাছ জলে খেলে সুখে ।
ঘর ভাঙে পাড় ভাঙে
আষাঢ় শ্রাবণে
খরস্রোতা প্লাবনে।
চাষ করে চাষী মাঠে
সারাদিন কত খাটে
জলে ভিজে দিন কাটে ।

 

 

বাবলু কাজি ; বর্ষার কবিতা

মনোহরা বৃষ্টি

রিমঝিম রিমঝিম
বৃষ্টির সুরে,
উদাস হয়েই মন
চলে যায় দূরে।
ঝমঝম ঝমঝম
সুন্দর তালে
বৃষ্টি তো নেচে যায়
বর্ষার কালে।
আবার কখনো সে যে
টুপটাপ করে
মুখে মিঠে হাসি নিয়ে
যায় শুধু ঝরে।
বৃষ্টির নাচ আর
নানা সুরে ঝরা
সত্যিই বর্ষার
দিনে মনোহরা।

 

বর্ষার কবিতা ; বৃষ্টি তুমি এসো 

 

বর্ষার কবিতা ; বৃষ্টি তুমি এসো 
মনোরঞ্জন দাস

বোশেখ গরম লাগছে চরম
তীব্র দহন জ্বালা,
অঝোর ধারায় বৃষ্টি এসো
পরাও বরণ মালা।

বৃষ্টি তোমার শীতল প্রেমের
একটু পরশ দিয়ো,
বোখেশ সাথে প্রেম পিরিতি
একটু না হয় নিয়ো।

তোমার ছোঁয়ায় বুক ফাটা রোদ
ভূমি ভেজাও বৃষ্টি,
নদীনালার হৃদয় জ্বালার
বাঁচবে ধরার সৃষ্টি।

বৃষ্টি তুমি কৃষ্ণকালো
মেঘের ভেলায় এসো,
চাষের যোগ‍্য হোক সে ভোগ‍্য
একটু তবে ভেসো।

 

আরো পড়ুনঃ  জ্যৈষ্ঠ মাসের কবিতা | জ্যৈষ্ঠ মাস কলমে মুহিববুল্লাহ্ আল মাহমুদ

 

 

বর্ষার কবিতা ; বৃষ্টি পড়ে
আসাদ সরকার

 

বৃষ্টি পড়ে বর্ষাকালে
বৃষ্টি পড়ে খালে বিলে।

বৃষ্টি পড়ে টিনের চালে
বৃষ্টি পড়ে তালে তালে।

বৃষ্টি পড়ে নদীর বাঁকে
বৃষ্টি পড়ে পাতার ফাঁকে।

বৃষ্টি পড়ে সবুজ ঘাসে
বৃষ্টি এলে পদ্ম হাসে।

বৃষ্টি পড়ে আষাঢ় মাসে
বৃষ্টির জলে বন্যা আসে।

বৃষ্ঠি পড়ে টাপুর টুপুর
বৃষ্টি পড়ে সকাল দুপুর।

বৃষ্টির জলে ভরে পুকুর
বৃষ্টি যেন সোনার নুপুর।

 

 

বর্ষার কবিতা ;  বৃষ্টি দেখি

বর্ষার কবিতা ;  বৃষ্টি দেখি
সাঈদুর রহমান লিটন

 

এসো বৃষ্টি দেখি দূরের
ফাঁকা মাঠে
কেমন করে বৃষ্টির পানি
ছুটছে ঘাটে।
পুকুর জলে বৃষ্টির ফোঁটা
যাচ্ছে ভিজে
পড়লে জলে বৃষ্টির ফোঁটা
দারুণ কী যে!
এসো সবাই বৃষ্টির জলে
গোসল করি
কাদা জলে গোসল করে
পড়িমরি
উল্লাস করি নৃত্য করি
বৃষ্টির জলে
ভালো লাগে এই আমাদের
বৃষ্টি হলে।

 

 

বর্ষার কবিতা ; বৃষ্টি ও খোকার ইচ্ছে
সৌমেন চট্টরাজ

 

সকাল থেকে টাপুরটুপুর
বৃষ্টি পড়ছে ঝরে,
দেখছে খোকা জানলা দিয়ে
একলা বসে ঘরে।

ইচ্ছে ডানা মেলে দিয়ে
ভিজতে চায় সে জলে,
বিড়বিড় করে আপন মনে
শুধুই বলে চলে।

খুব খুশিতে বৃষ্টির ধারা
নেবে পুরা গায়ে,
জমা জলে ছলাৎ ছলাৎ
শব্দ করবে পায়ে।

ভিজতে ভিজতে খোকন সোনা
পুকুর ঘাটে যাবে।
বৃষ্টি ভেজা হাঁসের সাঁতার
দেখে মজা পাবে।

ইচ্ছেগুলি মনে রেখেই
বসে রয় সে দুখে,
বৃষ্টির দাপট দেখতে থাকে
পাথর চেপে বুকে।

 

 

বর্ষার কবিতা ; বৃষ্টি অনাসৃষ্টি
ডঃ তাপস কুমার সরকার

 

কি অপরূপ সৃষ্টি তুই
আয়না, তোকে একটু ছুঁই।
ভিজিয়ে দিতে আজ আমায়
তোর কি কিছু আসে যায়!

মেঘের উপর মেঘের সাজ
রবির আলো কমেছে আজ।
মুখটি ঢেকে এই আঁধারে
হারাবো আজ বারে বারে।

শরীর ভেজাস মিষ্টি বৃষ্টি
ভেজেনা মন কি অনাসৃষ্টি!
রিম ঝিম ঝিম প্রানের সুর
কাছে আয় থাকিস না দূর।

টিপটিপ টিপ পড়িস যখন
সোঁদা গন্ধে আকুল তখন।
কেন জানিনা মনটা হারায়
ঝমঝম ঝম অঝোর ধারায়।

 

 

বর্ষার কবিতা ; বৃষ্টি
মাথুর দাস

 

সাগর নদী খাল বিল জল
শুকিয়ে মেঘের সৃষ্টি,
আকাশে উঠে হলে শীতল
তা থেকেই হয় বৃষ্টি ।

রিমঝিমঝিম ঝমঝম বা
ঝর ঝর ঝর ধারায়,
আস্তে জোরে বেশি কম বা
ঝরে বাতাসের তাড়ায় ।

দাবদাহের নিদাঘ শেষে
যখন আসে বৃষ্টি,
মাঠ ঘাট বাট যায় ভেসে
হয় জীবনের সৃষ্টি ।

খরা মানে তো নেই-বৃষ্টি
অতিবৃষ্টিতে হয় বন্যা,
প্রকৃতির এই কর্ম-কৃষ্টি
বসুমতী হয় ধন্যা ।

 

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *